GLOBAL NETWORK OF BANGLADESHI BIOTECHNOLOGISTS

NEWS

A 48-year old farmer from Barendrabhumi maintains the germplasm of endangered rice cultivars and land-races in his private land.

A 48-year old farmer from Barendrabhumi maintains the germplasm of endangered rice  cultivars and land-races in his private land.

Today’s posting will be different from the ones which usually feature the GNOBB website. The write-up is based on a news item published on the 16th of March in প্রথম আলো (Prothom-Alo). The news is about an almost illiterate farmer, Yousuf Molla, a resident in Barendra village. Right from his childhood Molla became interested in conserving rice varieties many of which face a great risk of extinction from Bangladesh.  It was his father who inspired him to conserve these indigenous rice varieties. Interestingly the majority of the sixty rice varieties he has been conserving for the last thirty years are drought- and disease-pest resistant. Other characteristics of these varieties are that they don’t require chemical fertilizers for their growth and development nor do they require any fungicides and/or pesticides to combat their natural enemies.

Molla grows the varieties in small plots each variety being kept separately in order to avoid mix-up.  At his home, these rice varieties are cooked and tasted after their harvest followed by their storage. Some are scented rice varieties and the freshly cooked rice from these special cultivars are top favorites of the rice consumers. Some varieties that deserve special mention are: Randhuni Pagal, Madhumadhab, Chini-shankar, Dadkhani, Raghusail, Jhingasail, Sonasail, Indrasail, Lotashail, Mugi malsheram, Shania Aus, Hida, Nilkantha, Kailarai, Boro, Sonakathi, Khailojhuri, Kalibhajra, Gongoshuli, Sathia, Bhojna, Kakuri,  Mulasail, Orissa, Kalikhuji, Basmati.

নিছক শখের বসে নয়, ভালোবেসে তিনি রক্ষা করে চলেছেন ধানগুলো। ৩০ বছর ধরে চলছে তাঁর এই ধান রক্ষার সংগ্রাম। ছোট ছোট প্লটে চাষ করে তিনিই বাঁচিয়ে রেখেছেন প্রায় ৬০ প্রজাতির ধান। এসব ধান বরেন্দ্র অঞ্চল থেকে প্রায় বিলুপ্ত। নতুন দিনের মানুষ ভুলে গেলে কী হবে; বরেন্দ্রভূমির এক নিভৃত গ্রামের গরিব কৃষক ইউসুফ মোল্লা বাঁচিয়ে রেখেছেন ঐতিহ্য।
এসব ধানের বেশির ভাগই খরা ও বালাইসহিষ্ণু। চাষ করতে রাসায়নিক সার ও বালাইনাশক ব্যবহার করতে হয় না বললেই চলে। স্বাদ-গন্ধেও আছে আলাদা বৈশিষ্ট্য। ভাপ ওঠা ভাতের ম-ম গন্ধ মোহিত করে মানুষকে। নিজের মতো করেই নিজ গ্রামে এসব ধানের সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছেন ইউসুফ মোল্লা।
এরই মধ্যে ইউসুফ মোল্লার কাছে থাকা ‘রাঁধুনি পাগল’ ধানের ব্যাপারে অন্য এলাকার কৃষকদের মধ্যে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে বীজ নিয়ে আবাদ শুরু করেছেন কৃষকেরা।
এই ধান সম্পর্কে ইউসুফ মোল্লা বলেন, রাঁধুনি পাগল চালের ভাতের মিষ্টি গন্ধ শুধু রাঁধুনিকেই পাগল করে না, আশপাশের মানুষকেও মোহিত করে। শুধু সুগন্ধই নয়, খেতেও সুস্বাদু। এটা দামি চাল হিসেবে বাজার পেতে পারে বলে মনে করেন ইউসুফ মোল্লা। তিনি আত্মীয়স্বজন ও গ্রামের মানুষের কাছ থেকে জমি বর্গা নিয়ে ছোট ছোট প্লটে চাষ করেন বীজ সংগ্রহে রাখার জন্য। রাঁধুনি পাগল, মধুমাধব, চিনিশংকর, দাদখানি, রঘুশাইল, ঝিঙাশাইল, সোনাশাইল, ইন্দ্রশাইল, লতাশাইল, মুগি মালসেরা, শনি আউশ, হিদা, নীলকণ্ঠ, কাইলারাই, জটা বাঁশফুল, দিঘা, কালশনি এলাই, টোপা বোরো, সোনাকাঠি, খৈলঝুড়ি, কালিভাজরা, গঙ্গশুলি, সাথিয়া, ভোজনা, কাকুরি, মুলাশাইল, উরিষ্যা, কালিখুজি, বাসমতি

Recent News

Calendar

February 2017
Su Mo Tu We Th Fr Sa
29 30 31 1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 1 2 3